খুলনার পাইকগাছায় ২নং কপিলমুনি ইউনিয়নের ফকিরবাসা মোড় হতে জাফর আউলিয়া মাদ্রাসা, মসজিদ, মাজার, কালিবাড়ি সংলগ্ন কানাইদিয়া খেয়াঘাট অভিমুখে রাস্তা ও ড্রেন দীর্ঘ সময় সংস্কার না করায় করুন অবস্থায় পরিণত হয়েছে। চরমদুর্ভোগ পোয়াছে ছাত্র-ছাত্রী সহ এ অঞ্চলের বাসিন্দা ও এ পথে চলাচলকারী শত শত মানুষ। উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কপিলমুনি জাফর আউলিয়া মাদ্রাসা, জাফর আউলিয়া জামে মসজিদ, পীর জাফর আউলিয়া মাজার এবং কপিলেশ্বরী কালিবাড়ি, শিব মন্দির, মনষা মন্দির সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দীর্ঘ বছর ধরে চরম অবহেলিত ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এবং খুলনা-পাইকগাছা মেইন সড়কের সংযোগ এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ, প্রাইমারি স্কুল, মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তাটির বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত করুণ। একটু বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তায় প্রায় হাঁটু সমান পানি ও কাদা জমে যায়। পুরো বর্ষা মৌসুম জুড়ে এই জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নেয়, যার ফলে জনসাধারনের চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় স্থানীয় গ্রামবাসীদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সুন্দর ও নিরাপদভাবে চলাচলের জন্য এই রাস্তাটি জরুরি ভিত্তিতে নতুন করে সংস্কার করা জরুরী। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন জানিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের চরম ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে সংসদ সদস্য সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারষিক সুশীল সমাজ কপিলমুনি ইউনিয়ন প্রতিনিধিরা এই অবহেলিত রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার ও টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ কাছে আবেদন করেছেন। কপিলমুনি ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা(সচিব) মোঃ জাভেদ ইকবাল বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটি গত অর্থ বছরে প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও অদৃশ্য কারণে প্রকল্প কেটে অনত্র নেওয়া হয়েছে। আগামীতে রাস্তা টি সংস্কারের চেষ্টা করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই ঐতিহ্যবাহী এলাকার জনসাধারণের ভোগান্তি দূর করতে দ্রুতই, কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এ প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।