নাজিরপুরে নদীভাঙ্গনের ঝুঁকিতে গাওখালী স্কুল-সংলগ্ন সড়ক

এফএনএস (মুহাম্মাদ আল-আমীন হোসাইন; নাজিরপুর, পিরোজপুর) : | প্রকাশ: ৮ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
নাজিরপুরে নদীভাঙ্গনের ঝুঁকিতে গাওখালী স্কুল-সংলগ্ন সড়ক

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার গাওখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের পশ্চিম পাশ দিয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙ্গনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদাময় ও পিচ্ছিল হয়ে যায়। নদীভাঙ্গনে রাস্তার একাংশ বিলীন হওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের এক পাশে নদী এবং অন্য পাশে গাওখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সীমানা প্রাচীর। নদীভাঙ্গনের কারণে রাস্তার প্রশস্ততা অনেক কমে গেছে। কোথাও কোথাও সামান্য অসতর্কতায় নদীতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি পথচারীদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং অসুস্থ রোগীদের এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হতে হয়। পিচ্ছিল কাদায় পিছলে ইতোমধ্যে একাধিক ব্যক্তি পাশের নদীতে পড়ে আহত হয়েছেন বলেও জানান তারা। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে গাওখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী এই সড়ক ব্যবহার করে বিদ্যালয় ও কলেজে যাতায়াত করে। বর্ষাকালে কাদা ও ভাঙ্গনের কারণে তাদের নিরাপদে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। অভিভাবকদের মধ্যেও এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, সড়কটির দক্ষিণ পাশে অবস্থিত নাজিরপুরের গুরুত্বপূর্ণ গাওখালী বাজার এবং উত্তর দিকে রয়েছে দেউলবাড়ী-দোবড়া ইউনিয়ন পরিষদ। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ির মানুষের জন্য এটি অন্যতম প্রধান যোগাযোগ সড়ক। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই পথ ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার বা নদীভাঙন রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কার, টেকসইভাবে পুনর্র্নিমাণ এবং নদীভাঙ্গন  প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সাজিয়া শাহনাজ তমা বলেন, উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর আমাকে জানিয়েছে এলজিইডি হতে এই রাস্তার প্রস্তাব অনেক আগেই পাঠানো হয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে