কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নে গত ১০ জুলাই লক্ষীপুর ভোদাইবাড়ি গ্রামের এক রাস্তায় একদল দুর্বত্তদের হামলায় জুয়েল মিয়া (২৫) কে গুরুতর আহত অবস্থায় বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জুয়েল মিয়া হত্যাকান্ডের পর থেকে এলাকায় প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হওয়ার পরও পুলিশ তিনদিনেও থানায় মামলা নিচ্ছে না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। নিরীহ জুয়েল মিয়া ছিলেন নিরপরাধ ব্যক্তি তার পিতার নাম মোঃ কুদ্দুছ মিয়া। এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে এলাকায় পুলিশ সম্পর্কে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। এ খবর পাওয়ার পর গত ১২ জুলাই কুলিয়ারচর উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ রফিকুল ইসলাম মামুন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তার কর্মীসমর্থকদের নিয়ে। তখন তিনি জুয়েল মিয়ার কবর জিয়ারত করেন এবং তার পরিবারের লোকজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। জুয়েল মিয়ার পিতা কুদ্দুছ মিয়া বলেন, যারা তার ছেলে জুয়েলকে হত্যা করেছে তাদের শাস্তির দাবী করেন। স্থানীয়দের দাবী এলাকাব্যাপী দীর্ঘদিনের একটি বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটলেও নিহত জুয়েল ঐ বিরোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তিনি পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। তারা এ হত্যা কান্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের বিচার দাবী জানান। কুলিয়ারচরের অফিসার ইনচার্জ কাজী আরিফ উদ্দিন জানান, হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন।