বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার কাজীরহাট থানা সংলগ্ন লতা নদীতে নিখোঁজ ব্যবসায়ী আব্দুল আলীম হাওলাদারের (৪৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় জেলেদের সংবাদের ভিত্তিতে দুর্ঘটনার প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর নলবুনিয়া লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেহেন্দীগঞ্জের কালীগঞ্জ নৌ-পুলিশ ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে।
মৃত আব্দুল আলীম হাওলাদার উপজেলার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পেশায় সে একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী আব্দুল আলীম লতা বাজার থেকে গাব নিয়ে ট্রলারযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। ট্রলারটিতে মাঝিসহ মোট চারজন ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, শনিবার (১৮ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টার দিকে কাজীরহাট থানার রহমানেরহাট থেকে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে ‘এমভি রাজহংস-৮’ লঞ্চে ওঠার চেষ্টা করেন আব্দুল আলীমসহ চার যাত্রী। তারা একটি ছোট ট্রলারে করে লঞ্চটির দিকে রওনা হন। ট্রলারটি চলন্ত লঞ্চের কাছাকাছি পৌঁছলে ধাক্কা লেগে লতা নদীতে ডুবে যায়। এসময় ট্রলারে থাকা তিনজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও আব্দুল আলীম নিখোঁজ হন।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পরপরই নিঁখোজ ব্যবসায়ীর স্বজন ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। তবে তারা ব্যবসায়ীর কোন সন্ধান পায়নি। পরে সোমবার দেড়টার দিকে উপজেলার নলবুনিয়া লঞ্চঘাটের কাছে নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা নৌ-পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ নৌ-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে আব্দুল আলীম হাওলাদারের স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে কালীগঞ্জ নৌ-পুলিশের ওসি মো. এনামুল হক জানান, ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় সোমবার রাতেই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।