হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. ফয়সল বলেছেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বর্তমান সরকার মাদক, চুরি, ছিনতাইসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছে।
মাদক একটি সমাজ ধ্বংসকারী ব্যাধি। তরুণ সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের অপরাধী বা সন্ত্রাসীকে ছাড় দেওয়া হবে না। সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করার আহ্বান জানান। তিনি মঙ্গলবার সকালে মাধবপুর আইন-শৃংখলা বিষয়ক কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মোঃ মেহেদি হাসানের সভাপতিত্বে অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা, সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ আনিছুল ইসলাম,উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা ডাঃ ইমরুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ইদ্রিস আলী দুলা মিয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম কামাল, সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান হামদু, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ, মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরী কাসেদ, মীর খুরশেদ আলম, পারভেজ হোসেন, সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল, ৫৫ বিজিবির পক্ষে নায়েক সুবেদার মকবুল, ২৫ বিজিবির পক্ষে নায়েক সুবেদার সিরাজ, আইন-শৃংখলা কমিটির সদস্য সাবেক চেয়ারম্যান সামসুল ইসলাম মামুন, দুর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি সাইফুল হক মির্জা, সাবেক কাউন্সিলর ইশরাত জাহান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, প্রেসক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমদ, সহকারি অধ্যাপক মঈনউদ্দিন, মাওলানা নূরুজ্জামান, স্বপন রায় প্রমুখ।সভায় বক্তারা বলেন, মাধবপুরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন ও জনসাধারণের সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদার করতে হবে। মাদক, চুরি, ডাকাতি, কিশোর গ্যাং ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।