বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে মেহগনি গাছ কেটে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দাবি করে বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী শিউলী মালাকার। আবেদনে শিউলী মালাকার উল্লেখ করেন, তিনি মোল্লাহাট উপজেলার শাসন গ্রামের বাসিন্দা এবং বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একজন গ্রাহক। সম্প্রতি বিদ্যুৎ লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করতে গিয়ে কর্তব্যরত কর্মচারীরা তার বসতবাড়ির ১৯টি মেহগনি গাছ কেটে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত করেন।
তিনি দাবি করেন, প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর আগে ছেলে-মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে গাছগুলো রোপণ ও পরিচর্যা করেছিলেন। তার অভিযোগ, গাছগুলো বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপদ দূরত্বে ছিল এবং একই লাইনের নিচে বা আশপাশে থাকা অন্য অনেক গাছ অক্ষত থাকলেও কোনো পূর্ব নোটিশ, পরামর্শ বা যাচাই-বাছাই ছাড়াই শুধু তার গাছগুলো কেটে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।
শিউলী মালাকার আরও বলেন, একজন অসহায় বিধবা নারী হিসেবে এ ঘটনায় তিনি উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন হলে গাছের ডাল ছাঁটাই করা যেতে পারে, তবে অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাছ নষ্ট করা উচিত নয়।
আবেদনে তিনি বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ এবং উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার বলেছেন, লিখিত অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন/প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।