চাটমোহরে শিক্ষক নিয়োগ অভিযোগের তদন্ত অনুষ্ঠিত

এফএনএস (হেলালুর রহমান জুয়েল; চাটমোহর, পাবনা) : | প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
চাটমোহরে শিক্ষক নিয়োগ অভিযোগের তদন্ত অনুষ্ঠিত

পাবনার চাটমোহর উপজেলার মুলগ্রাম ইউনিয়নের আটলংকা দ্বিমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ও নিয়োগপ্রপ্ত শিক্ষক আসাদুজ্জামানকে এমপিওভুক্ত না করার আবেদনের তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২২ এপ্রিল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিউল ইসলাম তাঁর দপ্তরে এই তদন্ত করেন।

অভিযোগে জানা গেছে,২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি আটলংকা দ্বিমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ে সমাজ বিজ্ঞান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় তৎকালীন স্কুলের সভাপতি মোঃ ইমান আলীর ছেলে মোঃ আসাদুজ্জামানকে। সে সময় সমাজ বিজ্ঞান শিক্ষক হিসেবে আহসান হাবীব কর্মরত ছিলেন। নিয়োগের সময় বিদ্যালয়টি জুনিয়র স্কুল ছিল। সে সময় স্টাফ প্যাটার্ন অনুয়ায়ী একই বিষয়ে দু’জন শিক্ষক থাকতে পারেনা। নিয়োগপ্রাপ্ত আসাদুজ্জামানের পিতা ম্যানেজিং কমিটি ও নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ছিলেন। প্রভাব খাটিয়ে বিধি বহির্ভূতভাবে ছেলেকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। নিয়োগ পাওয়ার পর আসাদুজ্জামানের কাগজপত্র একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দিয়ে এমপিওভুক্তির চেষ্টা করা হয়। কিন্তু শিক্ষা দপ্তরের তৎকালীন উপ-পরিচালক ড.শারমিন ফেরদৌস চৌধুরী তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন আসাদুজ্জানের এমপিও করা যাবেনা। তারপরও তার এমপিও করার জন্য প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। অভিযোগকারী আটলংকা গ্রামের মোঃ আলতাব হোসেন আসাদুজ্জানের নিয়োগকে অবৈধ দাবি করে তার এমপিও না করাসহ তাকে অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেন। পাবনা জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আঃ রাজ্জাক তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেন।  অভিযুক্ত শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন,তার নিয়োগ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে করা হয়েছে। এখানে কোন প্রকার অনিযম করা হয়নি। অথচ একটি চক্র তাকে নানাভাবে হয়রানী করছে।  প্রধান শিক্ষক আঃ মতিন বলেন,আসাদুজ্জামান নিয়মিত বিদ্যালয়ে ক্লাস করাচ্ছেন। তদন্ত হলো তা সঠিক সেটাই হবে আশাকরি।  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফিউল ইসলাম বলেন,তদন্ত করেছি। উভয় পক্ষের মতামত ও প্রয়োজনী কাগজপত্র নেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই প্রতিবেদন দেবো,কোন প্রকার পক্ষপাতিত্ব করা হবেনা। 

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে