কক্সবাজার শহরে মা-ছেলের সম্পূর্ণ পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: টিটু চন্দ্র শীলকে জড়িয়ে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে স্বাস্থ্য খাতে সুনামের সাথে কাজ করা এই সরকারী কর্মকর্তাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অনলাইন নিউজে সংবাদ প্রকাশ করায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। তাদের মতে মূলত সদর উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: টিটু চন্দ্র শীলের স্বাস্থ্য বিভাগে দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনামকে ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যই এই ধরণের মিথ্যাচার করে যাচ্ছে লাকী দেব পাল নামের ওই মহিলা।
অভিযোগে জানা যায়, কক্সবাজার শহরের হাসপাতাল সড়কস্থ হরিজন পাড়ার বাসিন্দা (বর্তমানে গোলদিঘীর পাড়ের রুপনগর সোসাইটির ভাড়াটিয়া) লাকী দেব পাল ও বাবুল পালের ছোট ছেলে ডা: অংকন দেব পাল বিবাহের দুই বছর পর্যন্ত একটানা মা বাবার সাথে বসবাস করে পারিবারিক বিভিন্ন কারনে বউকে নিয়ে অন্য জায়গায় আলাদা ভাবে বসবাস করে আসছে। এরপর থেকে ডাঃ অংকন দেব পালের মা লাকী দেব পাল নিজ ছেলের থেকে বিভিন্ন খাত দেখিয়ে টাকা দাবী করে আসছে এবং পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে ছোট ছেলেকে হেয় করে যাচ্ছেন। এমনকি লাকী দেব পাল বিষয়টি নিয়ে ছোট ছেলের বিরুদ্ধে পূজা উদযাপন পরিষদেও অভিযোগ করেন। সেখানেও বৈঠক হয়। সে বৈঠকের সিদ্ধান্তকে পাত্তা না দিয়ে সর্বশেষ সদর থানায় অভিযোগ করেন লাকী দেব পাল। মূলত বিষয়টি মা-ছেলের পারিবারিক বিষয় হলেও প্রতিটি জায়গায় লাকী দেব পাল ব্যাক্তিনী ডা: টিটু চন্দ্র শীল এর সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য তাকে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ করে যাচ্ছে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় লোকজন জানান, লাকী দেব পালের সাথে সমস্যা ওনার ছোট ছেলে ডাঃ অংকন দেব পালের। এখানে ডাঃ টিটু চন্দ্র শীলের কোন ধরণের সম্পৃক্ততা নেই। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ভাবে ডাঃ টিটু চন্দ্র শীলের সুনাম ক্ষুন্ন করতেই এই ধরণের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে লাকী দেব পালের ছেলে ডা: অংকন দেব পাল বলেন, এটি সম্পূর্ণ আমাদের পারিবারিক সমস্যা শুধুমাত্র আমরা মা ও ছেলের মধ্যে। সম্প্রতি এই ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে সদর থানায় আমাদের পারিবারিক বৈঠক হয়। আমার মা'র কাছে বিভিন্ন লোকের পাওনা টাকা পরিশোধের বিষয়টি'র সিদ্ধান্ত হয় এবং প্রতি মাসে ৫০-৬০ হাজার টাকা আমি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করে যাচ্ছি। সকল ডকুমেন্টস আমার কাছে আছে । তারপরও আমার মা আমাকে ছোট করার জন্য বিভিন্ন মহল সহ সামাজিক যোগাযোগের মধ্যে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে। ডা: টিটু চন্দ্র শীল আমার মামা শ্বশুর হওয়ায় কোন কারণ ছাড়াই আমার মা ওনার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন।বিষয়টি খুবই দুঃখ জনক। বিষয়টি সম্পূর্ণ একান্ত আমার ও আমার পারিবারের। আমি বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারে তীব্র প্রতিবাদসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।