স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে প্রতিটি ইউনিয়নে দলীয় কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ। একইসঙ্গে গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা। শনিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের ক্যাপ্টেন শামসুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এক কর্মী সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। উক্ত কর্মী সভায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ মোরসালিন বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হবে। দলের নাম ব্যবহার করে কোনো ধরনের অপকর্ম বা গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সীতাকুণ্ড আসনের সংসদ সদস্য আসলাম চৌধুরীর নির্দেশনা অনুযায়ী দলীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। কর্মী সভায় আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি গঠনের এক মাসের মধ্যেই প্রায় ছয়টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে বলেও জানানো হয়। এছাড়া নেতারা ঢাকায় গিয়ে খালেদা জিয়া এবং জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংগঠনকে শক্তিশালী ও নির্বাচনমুখী করতে শৃঙ্খলা, ঐক্য এবং জনসম্পৃক্ততার বিকল্প নেই।উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সালামত উল্লাহ বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি গঠন করা জরুরি। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে সন্ত্রাস ও মাদকের সঙ্গে জড়িতদের তালিকা প্রণয়নেরও আহ্বান জানান তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, মুরাদপুর ইউনিয়ন সন্ত্রাসপ্রবণ এলাকায় পরিণত হয়েছে এবং তা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সদস্য সচিব ফজলুল করিম চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যতে ইউনিয়ন কমিটি গঠনের সময় যোগ্য, মেধাবী ও সৎ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। মাদকাসক্ত বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কোনোভাবেই দলে স্থান দেওয়া হবে না। বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দরা তাদের বক্তব্যে বলেন, আসলাম চৌধুরীর এফসিএ 'র নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে সীতাকুণ্ডকে একটি আধুনিক ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।