সবার দৃষ্টি আদালতের রায়ের দিকে, শপথের অপেক্ষায় আসলাম

এফএনএস (জহিরুল ইসলাম; সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম) : | প্রকাশ: ৫ মে, ২০২৬, ১১:৪৪ এএম
সবার দৃষ্টি আদালতের রায়ের দিকে, শপথের অপেক্ষায় আসলাম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা সংসদীয় আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এফসিএ’র শপথ গ্রহণ ইস্যুতে আজ মঙ্গলবার ৫ মে আদালতে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার পর এ শুনানিকে ঘিরে সীতাকুণ্ডসহ চট্টগ্রামজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল, প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক আলোচনা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বিজয়ী হলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে এখনো সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারেননি তিনি। ফলে আজকের শুনানিকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আদালতের রায়ের ওপরই নির্ভর করছে তাঁর শপথ গ্রহণের পথ সুগম হবে কি না। দলীয় নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আদালতের ইতিবাচক রায় এলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে এবং দ্রুতই তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবেন। ইতোমধ্যে সীতাকুণ্ডসহ আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। চায়ের দোকান, বাজার ও সামাজিক আড্ডায় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আসলাম চৌধুরী।

আসলাম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তিনি শুরু থেকেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সকল আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসছেন এবং আদালতের সিদ্ধান্ত মেনেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তাঁর এই অবস্থানকে দায়িত্বশীল ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক আচরণের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল।

দলীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন রাজপথে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি একাধিক মামলার আসামি হয়েছেন এবং দীর্ঘ সময় কারাবরণ করেছেন। সমর্থকদের অভিযোগ, ওই সময় দায়ের হওয়া মামলাগুলো ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যার ফলে তাঁকে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে।

স্থানীয় পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগেও তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততা রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝেও তাঁর একটি ইতিবাচক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনের শাসনই সর্বোচ্চ। তাই এ ক্ষেত্রে আদালতের রায়ই হবে চূড়ান্ত নির্ধারক। এখন সবার দৃষ্টি সেই রায়ের দিকে, যার মাধ্যমে শেষ হতে পারে দীর্ঘ আইনি প্রতীক্ষা এবং সূচিত হতে পারে আসলাম চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনের নতুন অধ্যায়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে