বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সাকিবুলইসলাম সুমনের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় নিজ দলের অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, হামলায় সুমন গুরুত্বর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সাকিবুল ইসলাম সুমন বলেন, আমি ফেরিঘাট এলাকার একটি রড সিমেন্টের দোকানে বসা ছিলাম। এসময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল সন্ত্রাসী আমার ওপর হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বানারীপাড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাব্বির আহম্মেদ সুমন হাওলাদারের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে। আহত সাকিবুল ইসলাম বলেন, আমি দুর্দিনে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলাম, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমরা ব্যবসা-বানিজ্য সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। এখন আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
সাকিবুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনায় চাখার ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান, বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান ডালিম, সহ-সভাপতি রফিক মল্লিক, মিজানসহ ২৫/৩০ জন সম্পৃক্ত ছিলো। হামলার ব্যাপারে উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাব্বির আহম্মেদ সুমনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিফ না করায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে হামলায় আহত সাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনাটি ধামাচাঁপা দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, দলীয় অভ্যন্তরীন বিরোধে এ হামলার ঘটনায় এখনও কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করনেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।