চকলেট, বিস্কুট খাওয়ার প্রয়োজন দেখিয়ে ১০ বছরের এক শিশুকে তিনদিন যৌণ নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়ার নাচনাপাড়া কলোনীতে এ ঘটনায় রবিবার রাডে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করেছে। তবে পালিয়ে গেছে অভিযুক্ত সাইদুল। এ ঘটনায় এলাকায় মানুষ অভিযুক্তর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
কলাপাড়ার নাচনাপাড়া এলাকার আলম সরদারের জামাই সাইদুল। শ্বশুর বাড়ি বেড়াতে এসে গত তিনদিন ধরে শিশুটিকে বিস্কুট ও চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে এলাকার একটি বাড়ির পেছনে নিয়ে যৌণ নিপীড়ন করে। এরপর শিশুটির হাতে ২০ টাকা দিয়ে ঘটনা কাউকে জানাতে নিষেধ করে। মেয়ের হাতে টাকা ও খাবার দেখে শিশুর মা তাকে টাকা কোথায় পেয়েছে জানতে চাইলে ভয়ে মাকে ঘটনা বলেনি। একদিন পর আবার তার হাতে টাকা ও চিপস দেখে চাপ দিলে শিশুটি তার মাকে ঘটনা খুলে বলে। শিশুটি জানায়,তাকে ডেকে নিয়ে তার সাথে খারাপ কাজ করেছে। একথা কাউকে না বলতে ২০ টাকা দেয় সাইদুল।ভয়ে মাকে এ কথা বলেনি সে।
আর শিশুর মা বলেন, ওর বাবার ভয়ে তাকেও এ ঘটনা প্রথমে জানাননি। কিন্তু বারবার একই ঘটনা ঘটায় এলাকার লোকজনও বিষয় টি জেনে যায়। তিনি এ ঘটনায় সাইদুলের শাস্তির দাবি জানান। এলাকার লোকজন জানান, এলাকার জামাই সাইদুল। তার সাথে শিশুটিকে দুই তিন ধরে দেখছেন সন্ধার পর তাকে নিয়ে ঘুরতে যাচ্ছে। এ ঘটনায় তারা অভিযুক্তর শাস্তির দাবি জানান।
আর অভিযুক্তের শ্বাশুড়ি বলেন, তারা এ বিষয়টি জানতেন না। তবে তার জামাই এ ঘটনায় জড়িত না। এদিকে শিশুর উপর যৌণ নিপীড়নের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্ত সাইদুল পালিয়ে যায়। ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা কলাপাড়া থানার উপ পরিদর্শক মতো. ফোরকান বলেন, তারা তথ্য সংগ্রহ ও ভিকটিম এবং এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেছেন। শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে পরবর্তী আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আর কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শিশুটিকে পরীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।