আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে বরিশালের মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। তবে দল-মত নির্বিশেষে এই মুহুর্তে চরকালেখানের সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ঘুরছে একটি নাম মোঃ নুরুল হক খান। সৎ, যোগ্য এবং আপোসহীন নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তিনি (নুরুল হক খান) ইতোমধ্যে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন।
এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে ব্যক্তি নুরুল হক খানের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। স্থানীয়দের স্পষ্ট বক্তব্য, আমরা কোন দল বুঝি না; একজন সৎ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াকু ও যোগ্য নেতা হিসেবে নুরুল হক খানকেই চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে চাই।
তারা আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এলাকার স্বার্থে তিনি (নুরুল হক খান) ছিলেন সর্বদা সোচ্চার। নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী ‘বালু খেকো’ চক্রের বিরুদ্ধে তিনি রুখে দাঁড়িয়েছিলেন সাহসের সাথে। এছাড়া চরকালেখান ইউনিয়নের অন্যতম প্রধান সমস্যা নদীভাঙন এবং যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে প্রতিনিয়ত সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন সমাজ সেবক নুরুল হক খান।
নিজের জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছার কথা তুলে ধরে একান্ত সাক্ষাৎকারে মোঃ নুরুল হক খান বলেন-আমি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষ, তাই সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের দুঃখ-কষ্ট আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করি।
তিনি আরও বলেন, প্রমত্তা জয়ন্তী নদীর ভাঙনে আমার নিজের ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভিটামাটি হারানোর সেই বেদনা আমি আজও ভুলতে পারিনি। তাই নদীভাঙনকবলিত এই এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে আমি আমার জীবনের মূল ব্রত মনে করছি।
নুরুল হক খান বলেন, জনগণের ভালোবাসায় নির্বাচিত হলে আমার প্রথম কাজ হবে অবহেলিত চরকালেখান ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব 'মডেল ইউনিয়ন' হিসেবে গড়ে তোলা। আমি চেয়ারম্যান পদের মোহে নয়, বরং সুখে-দুঃখে মানুষের সেবক হয়ে পাশে থাকতে চাই।
চরকালেখানের সাধারণ জনগণ মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও নদীভাঙনে নিঃস্ব হওয়া এই অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে এবং তরুণ সমাজকে সঠিক পথে রাখতে নুরুল হক খানের মতো একজন সৎ ও নির্ভীক নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।