পলাশবাড়ীতে অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

এফএনএস (অমলেশ কুমার মালাকার; পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা) : | প্রকাশ: ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
পলাশবাড়ীতে অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে করতোয়া নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।  

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের করতোয়া নদীতে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম বুলবুল এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন। অভিযান কালে নদী থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী (শয়তান) জাল জব্দ করা হয়। ওইসব জালের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। জালগুলো জব্দের পরপরই স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে নদীর তীরে জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. সাইয়েদুল মোফাচ্ছালীন এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল সালাম ছাড়াও আনসার বাহিনীর সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. সাইয়েদুল মোফাচ্ছালীন জানান, চায়না দুয়ারী (শয়তান) জাল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের জালে ছোট-বড় সবধরনের মাছ এবং বিভিন্ন জলজ প্রাণী আটকা পড়ে। ফলে প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তিনি আরো জানান, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং সরকারি আইন বাস্তবায়নের স্বার্থে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ আহরণের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানান, চায়না দুয়ারী জাল আমাদের মৎস্য সম্পদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি ছোট-বড় সব মাছের পাশাপাশি শামুক ও ঝিনুককেও ধ্বংস করে দিচ্ছে। আগামীর প্রজন্ম ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এই ক্ষতিকর জালের বিরুদ্ধে অভিযান আরো জোরদার করা হবে। 

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে